তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫
প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৮:২৪
তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

রাজধানী রায়েরবাজার, কক্সবাজারের উখিয়া ও পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পাঁচজন নিহত হয়েছে।


তাদের মধ্যে দুইজন ডাকাত, দুইজন মাদক ব্যবসায়ী ও এক চরমপন্থী নেতা দাবি করছে র‌্যাব ও পুলিশ।


ঢাকা:


রাজধানীর রায়েরবাজারে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনে র‌্যাব-২ এর টহল দলের সঙ্গে ডাকাত দলের বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাতপরিচয় দুই ডাকাত নিহত হয়। ডাকাত দলের সদস্যরা বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পেছনে অবস্থান করছিল। র‌্যাবের টহল দল সেখানে গেলে তারা গুলি ছোড়ে। র‌্যাব তখন পাল্টা গুলি চালালে দুজন আহত হয়।


র‌্যাব সদরদফতরের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়াও দুই র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। তবে হতাহতদের নাম পরিচয় জানানো হয়নি।


র‌্যাব আরো জানায়, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি পিস্তল, গুলি, ছুরি, চাপাতি ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।


কক্সবাজার:


কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা বাজার এলাকায় র‌্যাবের চেকপোস্টে মঙ্গলবার ভোররাতে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়।


নিহতরা হলো- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকার আব্দুস সামাদ (২৭) এবং যশোরের অভয়নগর এলাকার মো. আবু হানিফ (৩০)। তারা দুজনেই ‘চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী’ এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনের একাধিক মামলা রয়েছে।


র‌্যাব জানায়, মরিচ্যা বাজার এলাকায় র‌্যাবের অস্থায়ী চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছিল। এ সময় টেকনাফের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক চেকপোস্টে না থেমে র‌্যাব সদস্যদের দিকে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করে। র‌্যাব সদস্যরাও তখন আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা গুলি চালায়। তাতে ট্রাকে থাকা দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।


পরে ওই ট্রাকে তল্লাশি করে ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশে তৈরি বন্দুক, আট রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়।


পাবনা:


পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানার কৈজুরী গ্রামে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে কুরবান আলী (৩৬) এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।


কোরবার একই উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের কিয়াম উদ্দিন ওরফে আদুর ছেলে। সে চরমপন্থি সংগঠন নকশাল গ্রুপের নেতা বলে দাবি করেছে পুলিশ।


আতাইকুলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ রানা জানান, আটঘরিয়া উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের কৈজুরী গ্রামের শশ্মানের পাশে একদল দুষ্কৃতিকারী গোপন বৈঠক করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযানে যায় আতাইকুলা থানা পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। প্রায় ৩০ মিনিট পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণের এক পর্যায়ে পিছু হটে সন্ত্রাসীরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কুরবানের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।


ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার, চার রাউন্ড গুলি, দুটি কার্তুজের খোসা, ইয়াবা ট্যাবলেট ২০ পিস, একটি ডায়াং মোটরসাইকেল ও ছয় জোড়া স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়।


পুলিশের দাবি, নিহত কুরবান চরমপন্থি নকশাল দলের আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আটঘরিয়া ও আতাইকুলা থানায় হত্যা-ডাকাতিসহ বেশ কিছু মামলা রয়েছে।


বিবার্তা/খলিল/জহির/জাকিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com