ঘর সামলিয়েও ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল তাবেন্দা হোসেন
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২২, ১৬:১০
ঘর সামলিয়েও ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল তাবেন্দা হোসেন
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

শৈশবে জীবনকে নিয়ে সবারই একটা আলাদা স্বপ্ন থাকে। কারো স্বপ্ন থাকে পড়াশোনা করে বড় চাকুরে হওয়া। কারো ডাক্তার হয়ে সমাজসেবা করা। কারো বা পাইলট হয়ে বিমান চালানোর, আবার কারো নিজের চেষ্টায় উদ্ভাবনী কিছু করার। অন্যপাঁচটা সাধারণ মেয়ের মতো শৈশবে তিনিও স্বপ্ন দেখতেন বড় হয়ে নিজের একটা আলাদা পরিচয় তৈরি করবেন। একটা সম্মানজনক ক্যারিয়ার গড়ে তুলবেন। সময়ের পালা বদলে নিজের অদম্য চেষ্টা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সেটা তিনি তৈরি করতে পেরেছেন। এখন নারীদের জন্য তিনি একটি অনুপ্রেরণার নাম। নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা ও কর্ম দিয়ে সবার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি একাধারে প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার, মেন্টর ও ট্রেইনার।


বলছিলাম ঢাকার বনশ্রীর সফল ফ্রিল্যান্সার তাবেন্দা হোসেনের কথা। খুব অল্প সময়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জগতে সবার কাছে একটা আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন অদম্য ও আত্মপ্রত্যয়ী এই ফ্রিল্যান্সার।


তাবেন্দা হোসেনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকাতেই। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ঢাকার স্কুল ও কলেজ থেকেই শেষ করেন। ২০১০ সালে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন তাবেন্দা। পরে নিজের আগ্রহ ও চেষ্টায় ঢাকাস্থ ব্রিটিশ কাউন্সিলে একটা চাকরিতে যোগ দেন তিনি। জীবনকে পূর্ণতা দিতে সামাজিক নিয়মে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। শুরু হয় নতুন জীবন। স্বামী সংসার, নিয়ে বেশ আনন্দে ও ব্যস্ত সময় কাটছিলো তার। বেশ কিছুদিন চাকরি করেন তাবেন্দা। একটা সময় তাদের পরিবারে আসে নতুন অতিথি। ভালোবাসার ফসল। কন্যা সন্তানের মা হন তিনি। তখন তার পক্ষে চাকরিটা চালিয়ে নেয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি। কেননা সন্তানকে সময় দেয়াকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন তিনি। স্বামী, সন্তান, সংসার নিয়েই কেটে যাচ্ছিল তার দিন। ধীরে ধীরে মেয়েটা বড় হতে থাকে।



তাবেন্দার স্বামী সংসার জীবন শুরু থেকেই স্ত্রী প্রতি অনেক বেশি সহযোগী ছিলেন। তিনি সব সময় চাইতেন তার স্ত্রী বড় কোনো চাকরি করুক। একটা সময় তিনি স্ত্রীকে এটাও বলে দিয়েছিলেন যে, দরকার হলে বাচ্চাকে ডে-কেয়ারে রেখে হলেও চাকরি করতে। তাবেন্দা তাতে রাজি হননি। কারণ বাচ্চা লালন-পালন এবং তার দেখাশুনার দায়িত্বটা ওই মুহূর্তে তিনি পালন করতে চেয়েছেন। তার মতে, একটা বাচ্চাকে তার মা যতোটা ভালো ভাবে বড় করতে পারে, সেটা ডে-কেয়ার বা কোনো কাজের লোক দিয়ে সম্ভব নয়।


একটা সময়ে এসে অনলাইনে কিছু করার কথা ভাবেন। এমন কাজ যেটা দিয়ে ঘরে বসে আয় করা সম্ভব। আবার পাশাপাশি স্বামী, সন্তানকেও সময় দেয়া সম্ভব। এ নিয়ে দিনরাত অনলাইনে গবেষণা করতে থাকেন তিনি। একদিন তাবেন্দার পরিচয় হয় এক ফ্রিল্যান্সারের সাথে। বিষয়টা তার সাথে খোলামেলা আলাপ করে ফ্রিল্যান্সিং করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তখন ওই আপু তাকে ফ্রিল্যান্সিং করার পরামর্শ দেন।


তাবেন্দা বলেন, শুরুতে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আমার বিশেষ কোনো ধারণা ছিলো না। শুধু মনে হয়েছে এটি আমার জন্য একটা উপযুক্ত পেশা হতে পারে। এর মাধ্যমে আমি পরিবারকে সময় দেয়ার সাথে সাথে নিজে উপার্জন করতে পারবো। মনে ছিলো অদম্য ইচ্ছেশক্তি, শেখার আগ্রহ, কাজের নেশা এবং আত্মবিশ্বাস। সিদ্ধান্ত নেই ফ্রিল্যান্সিংই করবো। এটা হবে আমার জীবনের আলাদা পরিচয়। একদিন সবাই আমাকে সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে জানবে।


শুরু হয় তার শেখার যুদ্ধ। অনলাইনে ইউটিউব, গুগল ছিলো তার শেখার বড় শিক্ষালয়। এর পাশাপাশি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষক্ষণ কেন্দ্র ‘শিখবে সবাই’ থেকে প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনের একটা কোর্স সম্পন্ন করেন।


তাবেন্দা বলেন, গ্রাফিক ডিজাইনের বিষয়গুলো ‍খুব ভালো লাগতো। যেকোনো বিষয় খুব সহজে আয়ত্ত করে ফেলতে পারতাম। আমার ব্যাচে সেরা পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে আমি ছিলাম অন্যতম।


তাবেন্দার গ্রাফিক ডিজাইনের সেন্স ছিলো খুবই প্রখর। সব বিষয়গুলো ‍খুব সহজে আয়ত্ত করে ফেলেন। প্রশিক্ষণ নিয়ে অল্পদিনের মধ্যেই স্থানীয়ভাবে ছোট ছোট কাজ করা শুরু করেন। একটা সময় ‘শিখবে সবাই’ প্রতিষ্ঠানের মেন্টরের সহযোগিতায় জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইবারে একাউন্ট খুলেন। সেই থেকে শুরু, তারপর ধীরে ধীরে শুধুই এগিয়ে যাওয়া। এখন তিনি ইউরোপের মাল্টা কোম্পানির গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেও বিভিন্ন প্রজেক্টের কাজ করছেন। তাবেন্দা প্রিন্ট মিডিয়াও বিভিন্ন গ্রাফিক্সের কাজ করে থাকেন। যেমন ফ্লায়ার, ব্রোশিওর, পোস্টার, ব্যানার, ম্যাগাজিন ইত্যাদি।



স্বামী সংসার সামলে কী করে ফ্রিল্যান্সিংয়ে প্রতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নিলেন? তাবেন্দা বলেন, সারাদিন সংসারের সব সামলে রাতে ১০টার পর অনলাইন ক্লাস করেছি। কখনো মেয়েকে ঘুম পারিয়ে আবার কখনো বা কোলে নিয়েও ক্লাস করেছি। এরপর অনুশীলনতো ছিলোই রাত ২টা পর্যন্ত। অল্প একটু ঘুমিয়ে সকালে উঠে সংসারের সব কাজ এক হাতে করেছি। সব গৃহিনী ফ্রিল্যান্সারদের এভাবে সব সমালাতে হয়। এ যুদ্ধটা একজন নারী ফ্রিল্যান্সারের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। মনের জোর আর অদম্য আগ্রহ না থাকলে এসব মোকাবেলা সবার পক্ষে সম্ভব নয়।


স্বামী-সংসার, ছেলে-মেয়েদের দেখভাল করে যে সময়টুকু নারীদের থাকে, সেই সময়ে অনায়াসে মাসিক ১০ থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা, এমনকি ৫০ হাজার পর্যন্ত উপার্জন করা সম্ভব। আর এরজন্য দরকার প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান, যোগ্যতা এবং প্রফেশনাল কাজের দক্ষতা। বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্সারকে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। যোগাযোগের দক্ষতা থাকতে হবে। তাহলে অনলাইনে ঘরে বসেই একজন নারী আয় করে সুন্দর ভাবে চলতে পারবেন।



দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের ভবিষ্যত সম্ভাবনা অনেক ভালো। বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতির কারণে সারাবিশ্বের অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর চাহিদা পূর্বের তুলনায় বহুগুণে বেড়ে গেছে। আমাদের দেশে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে। তারা চাইলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের উপরে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়ে আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসগুলোতে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। যদি এটাকে কেউ গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা অনুসারে শিক্ষা ও চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারেন তাহলে এটি তার সফল ক্যারিয়াও হতে পারে। বললেন আত্মপ্রত্যয়ী এই ফ্রিল্যান্সার।


সারাদেশে সরকারি উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে বিভিন্ন কোর্সের আয়োজন করা হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সারদের আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে। এসব কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানান সফল এই ফ্রিল্যান্সার। ক্লায়েন্টের সাথে লেনদেনের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ফ্রিল্যান্সাররা বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে কাজ করে থাকেন। বেশির ভাগ ক্লায়েন্টরা তাদের কাজের মূল্য দিতে চান অনলাইনভিত্তিক জনপ্রিয় অর্থ লেনদেন (পেমেন্ট) মাধ্যম পেপ্যাল-এ। দুঃখজনক বিষয় হলো আমাদের দেশে এখনো আন্তর্জাতিক এই অর্থ লেনদেন সেবা চালু হয়নি। তাই শুধু পেপ্যাল না থাকায় অনেক বিদেশি ক্লায়েন্ট বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে কাজ করাতে চান না। সরকার সারাদেশে ফ্রিল্যান্সিং ও আউসোর্সিংকে বিভিন্নভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সরকারের কাছে আমার সবিনয় অনুরোধ যতো দ্রুত সম্ভব দেশে যাতে পেপ্যাল সেবার ব্যবস্থা করা হয়। তাহলে দেশের ফ্রিল্যান্সারা এসব কাজ থেকে বঞ্চিত হবেন না।


যারা ফ্রিল্যান্সকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তাদের প্রতি তাবেন্দার ভাষ্য, ফ্রিল্যান্সার হওয়ার শর্টকার্ট কোনো পথ নেই। আসলে ফ্রিল্যান্সিংকে যতোটা সহজ ভাবা হয়, ততোটা সহজ নয়। মার্কেটপ্লেসে আসার আগে যতটা সম্ভব স্কিলফুল হয়ে আসতে হবে। এই সেক্টরে কেউ আসতে চাইলে তাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল, অধ্যবসায়ী, দৃঢ় মনোবলের অধিকারী হতে হবে। আর একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই কম্পিউটার ব্যবহার জানতে হবে। সে সাথে ইংরেজিতে পারদর্শী হতে হবে। আপনাকে অবশ্যই যেকোনো একটি কাজে দক্ষ হতে হবে, যেটির উপর আপনি সার্ভিস দিবেন। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। যেটি খুবই প্রয়োজন। এতে আপনি সহজেই আপনার জন্য উপযুক্ত মার্কেটপ্লেসটি বাছাই করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরটা হলো কাজের দক্ষতা দেখানোর জায়গা। যে যতোবেশি কাজে দক্ষ সে ততোবেশি কাজ পাবেন আর আয় করতে পারেন। নিয়ম-কানুন না জেনে হুজুগে অ্যাকাউন্ট না খোলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।



তাবেন্দা শুধু একজন সফল ফ্রিল্যান্সারই না। প্রশিক্ষক ও মেন্টরও। এতদিন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিজে শিখেছেন- এখন অন্যদের শেখান। নিজ উদ্যোগে তিনি দুটি লাইভ কোর্স পরিচালনা করেন। একটি হলো ‘বি ইওর ওন পেজ ম্যানেজার’। এটি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য খুবই উপযুক্ত কোর্স। কিভাবে পণ্যের ছবি তুলতে হবে, ভিডিও কিভাবে করলে সুন্দর হবে, পোস্ট লেখার নিয়ম, রিচ বাড়ানোর উপায় ইত্যাদি আছে এই কোর্সে। তার পরিচালনায় অন্য একটি কোর্স হচ্ছে ‘বি অ্যা ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক ডিজাইনার’।


ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে সবচেয়ে বেশি কাজ হয় ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে। ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন এমন একটা মাধ্যম যা দিয়ে যেকোনো ইনফরমেশনকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। কিভাবে ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে কাজ করবেন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে তার বিস্তারিত অনলাইন কোর্সও শুরু করেন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার এবং ইউটিউবার তাবেন্দা। ‘ইনস্ট্রাক্টরি’ নামে একটি প্ল্যাটফরমে ইনফোগ্রাফিক ও আরো একটি কোর্স রেখেছেন তিনি।


ইনস্ট্রাক্টরিতে তার দ্বিতীয় কোর্সটি ‘দ্য পাওয়ার অব পাওয়ার পয়েন্ট’। পাওয়ার পয়েন্ট মানেই বোরিং, একঘেয়েমি কিছু স্লাইড। এ ধরনের চিন্তার বিপরীত দিকটা তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছেন। পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে অনেক ধরনের ডিজাইন করা সম্ভব। যেমন,ফ্লায়ার, পোস্টার, সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট, ভিডিও, লেগো আরো কত কি। এসব বিস্তারিত করে দেখানো হয়েছে তার এই কোর্সটিতে।


তাবেন্দা বলেন, বর্তমান বিশ্বে ইনফোগ্রাফিকের অনেক চাহিদা। করোনাকালে মানুষ প্রচুর ইনফোগ্রাফিক দেখেছে। আমি আমার প্রশিক্ষণে হাতে-কলমে কাজ দেখিয়ে দিই। ডিজাইনের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সুন্দর বাস্তবায়ন। পুরোটাই শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখাতে চেষ্টা করি। এছাড়াও তিনি হেক্সাগন আইটি নামক একটা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ‘গ্রাফিক ডিজাইন অ্যান্ড ফ্রিল্যান্সিং’ বিষয়ে কোর্স করান।


তাবেন্দা দেশীয় অনলাইন কিংবা অফলাইন মাধ্যমে ডিজিটাল এডুকেশনে নানাভাবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে নারীদের প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানে তার ভূমিকা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।



সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তাবেন্দার অর্জনের ঝুলিতেও উঠেছে কিছু স্বীকৃতি। ২০১৯ সালে কাতারে সংবাদভিত্তিক টিভি চ্যানেল আলজাজিরা বাংলাদেশের সফল নারী ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠান প্রচার করে। তাতে জায়গা পেয়েছিলেন তিনি। ‘ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে একটি সুযোগ’-এ বিষয়ে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম এক সেমিনারের আয়োজন করে, যার প্রধান বক্তা ছিলেন তাবেন্দা।


২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশীয় পণ্যের নারী উদ্যোক্তাদের জনপ্রিয় অনলাইন প্লাটফর্ম উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরাম আয়োজন করে ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় সেল বাড়ানোর উপায়’ শীর্ষক এক কর্মশালা। এটি পরিচালনা করেন তিনি। এই কর্মশালায় উদ্যোক্তাদের প্রডাক্ট ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি নিয়ে আলোচনা করেন। এই কোর্স অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। উদ্যোক্তারা অনেক উপকৃত হন।


ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে তাবেন্দা বলেন, অদূর ভবিষ্যতেই নিজস্ব একটি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান খুলতে চাই। যেখানে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে কোর্সগুলো করানো হবে। ওই কোর্স থেকে উপার্জিত অর্থের অংশবিশেষ সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য ব্যয় করা হবে।


বিবার্তা/গমেজ/রোমেল/আশিক

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com